সারা দেশে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন চলছে। রোববার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই ক্যাম্পেইন চলবে। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় দুই কোটি ৪০ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
আজ রোববার রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন। সারা দেশে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্র এবং ৫০০টি ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কথা রয়েছে।
এবারের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের মান অত্যন্ত ভালো বলে মন্তব্য করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক পরীক্ষাগারে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ইউনিসেফের মাধ্যমে এই উন্নতমানের ক্যাপসুল দেশে আনা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এবারের ক্যাম্পেইনে দেশের ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী মোট ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে সরকারের কাছে লাল ও নীল রঙের মোট ২ কোটি ৬০ লাখ ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল মজুত রয়েছে।
ক্যাম্পেইনের সময়সীমা ও কার্যকারিতা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, সারা দেশে একযোগে এই কার্যক্রম চলছে। কোনো শিশু যেন বাদ না পড়ে, সেজন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রথম দিন কোনো শিশু বাদ পড়লে দ্বিতীয় দিন খাবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে চতুর্থ দিন পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।
২০১১ সাল থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা বা এনএনএস অপারেশন প্ল্যানের অধীনে ২০২৫ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত পরিচালিত হয়ে আসছিল এবং পরে বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২০২৬ সালে কার্যক্রম হিসেবে পুনরায় চালু করা হয়েছে। ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের দায়িত্বে আছে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান।
এসএএস